স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

যে খাবার ‘ফ্লু’র বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে

যে খাবার ‘ফ্লু’র বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
যে খাবার ‘ফ্লু’র বিরুদ্ধে লড়াইতে বা লড়াই করতে সাহায্য করে। ফ্লু বা গরমে সর্দি-কাশি-জ্বর থেকে বাঁচার জন্য রয়েছে ওষুধ। তবে কিছু খাবারও ‘ফ্লু’ থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বলেন, সর্দি-কাশির ওষুধ খেয়ে ঝিমানোর চাইতে এই খাবার খেয়ে সুস্থ থাকার চেষ্টা করা ভালো। কুমড়ার দানা প্রচুর পরিমাণে জিংক রয়েছে এই খাবারে—যা রক্তের শ্বেত কাণিকাকে অসুখের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। টুনা সেলেনিয়ামের অত্যন্ত ভালো উৎস হলো টুনামাছ—যা অসুস্থতার ফলে শারীরিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মাশরুম বেটা গ্লুক্যানস মাশরুম থেকে পাওয়া যায়—যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মিষ্টি আলু বছরের এই সময়ে মিষ্টি আলু খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। একদিক দিয়ে অবশ্য ভালোই হয়েছে। কারণ এই আলুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। মাত্রাতিরিক্ত ভিটামিন এ শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয়। গ্র...
‘ফ্লু’ হওয়ার কারণ ও করণীয়

‘ফ্লু’ হওয়ার কারণ ও করণীয়

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
আমাদের আজকের বিষয় : ‘ফ্লু’ হওয়ার কারণ ও করণীয়। সাধারণ ঠাণ্ডা-জ্বর আর ‘ফ্লু’ হওয়ার মধ্যে পার্থক্য থাকলেও, লক্ষণ প্রায় একই রকম। সে-কারণে তাই অনেকেই সাধারণ ঠাণ্ডাজনিত জ্বরের সঙ্গে ‘ফ্লু’ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টা একই মনে করেন। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই রোগগুলোর লক্ষণ যেমন আলাদা করেছে, তেমনি চিকিৎসা পদ্ধতিও ভিন্ন। তাই সঠিক চিকিৎসার জন্য ‘ফ্লু’ সম্পর্কে ধারণা থাকা ভালো। স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে অবস্থিত এনওয়াইইউ ল্যাংগন’য়ের ‘মেডিসিন’ বিভাগের সহকারী-অধ্যাপক ভেনেসা রাবি বলেন, অনেকেই উপসর্গ একই রকম হওয়ায় সর্দি-জ্বরকে ‘ফ্লু’য়ের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলেন—যা বিপদের কারণ হতে পারে। সে-কারণে ‘ফ্লু’ আর সাধারণ সর্দি-জ্বরের মধ্যে পার্থক্যটা বুঝতে হবে। কারণ সাধারণ সর্দি-জ্বরের তুলনায় ‘ফ্লু’ অনেক বেশি গুরুতর। ‘ফ্লু’র উপসর্গ ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুরো সময়টাই ‘ফ্লু’য়ের...
ঠাণ্ডা ও কফ নিরাময়

ঠাণ্ডা ও কফ নিরাময়

ছবি, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
আজকের বিষয় : ঠাণ্ডা ও কফ নিরাময়। ঘরোয়া কিছু উপাদান ব্যবহারে এই সমস্যা অনেকটাই রোধ করা সম্ভব। এ জন্য দরকার সচেতনতা ও বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ। যেমন : গরম ভাপ ঠাণ্ডা এবং কফের সমস্যা হলে ভাপ বেশ উপকারী। একটি বড় বাটিতে গরম পানি নিয়ে ভাপ টেনে নিতে হবে। ১০ থেকে ১৫ মিনিট এই ভাপ নেওয়া গেলে বেশ উপকার পাওয়া যাবে। গরম পানিতে কয়েক ফোঁটা ইউক্যালিপটাস তেল বা মেনথল মিশিয়ে দিলে আরো উপকার পাওয়া যাবে। মধু ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে প্রাকৃতিক ময়েশ্চারইজারের কাজ করে মধু। তা ছাড়া ঠা-া কফ সারাতেও দারুণ ঔষুধি গুণ রয়েছে এই উপাদানের। দিনে তিনবার খানিকটা মধু খেলে উপকার পাওয়া যাবে। পাঁচ বছরের উপরে যাদের বয়স তাদের জন্য মধুর সঙ্গে এক চামচ দারুচিনিগুঁড়া মিশিয়ে খাওয়ালে বেশি উপকার হয়। মালিশ দুই বছরের ছোট শিশুদের জন্য মালিশ বেশ উপকারী। সরিষার তেলের সঙ্গে খানিকটা রসুন নিয়ে হালকা গরম করে ওই মিশ্রণ দিয়ে মালিশ করা যেতে পারে...
জ্বর জ্বর এবং যে কারণে ঠাণ্ডা-জ্বর রাতে বাড়ে

জ্বর জ্বর এবং যে কারণে ঠাণ্ডা-জ্বর রাতে বাড়ে

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
জ্বর জ্বর এবং যে কারণে ঠাণ্ডা-জ্বর রাতে বাড়ে : এ জন্য প্রথমেই ওষুধ খাওয়া নয়, চেষ্টা করতে হবে ঘুমিয়ে পড়তে। আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে জ্বর-ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, মাথাব্যথা ইত্যাদিতে কাবু হবেন অনেকেই। এই ধরনের মৌসুমি অসুস্থতার কারণে অনেকেই হুট করে ওষুধ খেয়ে নেন। তবে জার্মানির গবেষকরা জানাচ্ছেন ভিন্ন কথা। তাদের গবেষণায় দেখা গেছে ওষুধ নয় বরং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অক্ষুণœ রাখতে প্রথমে যে কাজটি করা উচিত তা হলো ঘুমানো। জার্নাল অফ এক্সপেরিমেন্টাল মেডিসিন’য়ে প্রকাশিত এই গবেষণা-পত্রে গবেষকরা জানান, এই ধরনের মৌসুমি অসুস্থতায় প্রথমেই ওষুধ খাওয়া উচিত না। গবেষণার জন্য ১০ জনকে পর্যবেক্ষণ করেন গবেষকরা। এদের মধ্যে পাঁচ জনকে একরাত জাগিয়ে রাখা হয়। আর বাকিদের স্বাভাবিক নিয়মে ঘুমাতে দেওয়া হয়। দুই সপ্তাহ এমনটা চলার পর দুই দলের নিয়ম উল্টে দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে ১০ জনেরই রক্তের নমুনা সংগ্রহ...
চিকুনগুনিয়ার লক্ষণ ও প্রতিকার

চিকুনগুনিয়ার লক্ষণ ও প্রতিকার

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
চিকুনগুনিয়া, কিছুদিন আগেও এই রোগের নাম তেমন প্রচলিত ছিল না। আজ আমরা আলোচনা করব : চিকুনগুনিয়ার লক্ষণ ও প্রতিকার নিয়ে। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ডা. কামরুল হাসান (বিসিএস স্বাস্থ্য) বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চিকুনগুনিয়া ভাইরাস নিশ্চিতভাবে সনাক্ত করার স্থান হলো রাজধানীর মহাখালিতে অবস্থিত রোগ তত্ত্ব, নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট আইইডিসিআর। এই গবেষণা কেন্দ্রে ‘সেলোরজি’ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে চিকুনগুনিয়ার ভাইরাস সনাক্ত করা সম্ভব। ভাইরাসটি এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে কামড়ানো মশাটি সুস্থ কাউকে কামড়ালে তার শরীরেও চিকুনগুনিয়ার সংক্রমণ ঘটে। লক্ষণ সম্পর্কে চিকিৎসক বলেন, চিকুনগুনিয়া জ্বরের লক্ষণগুলো অন্যান্য সকল ভাইরাল জ্বরের মতোই। হাড়ের জোড়ায় তীব্র ব্যথাই এই রোগের একমাত্র স্বতন্ত্র উপসর্গ। সঙ্গে মাথা-ব্যথা, চোখ জ্বালাপোড়া, বমি-ভাব,...